Home » » আ. লীগও অপহরণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায়

আ. লীগও অপহরণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায়

Written By setara on Thursday, May 1, 2014 | 7:57 AM

গুম, অপহরণ, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় আওয়ামী লীগ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের এই অবস্থান তুলে ধরেন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ। দেশবাসীর উদ্দেশে আওয়ামী লীগের পক্ষে হাছান মাহমুদ বলেন, 'অপরাধীদের যেখানেই পাবেন, তাঁদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেবেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে।' আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দাবি করেন, অপহরণ, হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্যের সঙ্গে যে-ই জড়িত হোক, যে দলেরই হোক—তাদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে আওয়ামী লীগ ও সরকার বদ্ধপরিকর।

অপহরণ ঠেকাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন হাছান মাহমুদ। তিনি জানান, ১০ মে থেকে মাইক্রোবাসে কালো গ্লাস ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শহরে সিসি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই অপরাধীদের পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

গুম ও অপহরণে সরকারি দল জড়িত বলে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা অভিযোগের জবাব দেন হাছান মাহমুদ। তিনি দাবি করেন, 'নিজেদের অপরাধ অন্যের ওপর চাপানো খালেদা জিয়ার পুরোনো অভ্যাস। প্রকৃতপক্ষে বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের নেত্রী। হত্যা, গুমের সঙ্গে অতীতের মতো বর্তমানেও বিএনপির নেতৃবৃন্দ জড়িত।'

বিভিন্ন তথ্য দিয়ে হাছান মাহমুদ দাবি করেন, জিয়ার আমলে দেশে প্রথম গুমের ঘটনার শুরু হয়। ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ বাবুকে জিয়ার নির্দেশে গুম করা হয়। একইভাবে জিয়ার আমলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাদের রাতের অন্ধকারে তুলে নেওয়া হতো। তাঁরা আর ফিরত না। পরেও একই ধারা চলে আসে। খালেদা জিয়াও গুম-অপহরণের নির্দেশদাতা।' ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতা-কর্মী হত্যা ও গুমের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন হাছান মাহমুদ।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, যাঁরা দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র ধ্বংস করতে চায়, অতীতের মতো হত্যা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করতে চায়, তাঁদের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়ান। শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হন। হত্যা, সন্ত্রাস, গুম, অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে আছে।

0 comments:

Post a Comment